তারেক রহমানের শপথে মোদিকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা

তারেক রহমানের শপথে মোদিকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা

তারেক রহমানের শপথে মোদিকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা

বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। বিএনপির একধিক সূত্রের বরাত দিয়ে শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।


এতে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতার মাঝে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে বলেছে, ঢাকায় তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণের প্রস্তুতি চলছে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মূল আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় থাকবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির (বৃহস্পতিবার) নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে টেলিফোনে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বিএনপি প্রধানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

পোস্টে মোদি লিখেছেন, ‌‌‘‘তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আমি আনন্দিত। আমি তাকে বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।’’

দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে ভারতের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন থাকা দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে আমি উভয় দেশের জনগণের শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।’’

সূত্র বলেছে, বিএনপির শীর্ষ নেতারা তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক সব রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন; যাতে অনুষ্ঠানটিকে কূটনৈতিক সংযোগের একটি মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

যদি আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ পাঠানো হয় এবং তা গ্রহণ করা হয়, তাহলে মোদির উপস্থিতি ঢাকায় নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট তারিখ কিংবা কোনো বিদেশি নেতার উপস্থিতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।